স্বাভাবিক হচ্ছে ইতালি, লকডাউন উঠছে সোমবার

ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ২৩৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে । আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৭ হাজার ৪২৮ জন। কিন্তু লড়াই থামছে না ইউরোপের দেশটিতে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। সুস্থ করে তুলেছেন ৭৮ হাজার ২৪৯ জনকে।

দেশটিতে মৃত্যুর হারও কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন দুই হাজার ৩৪৯ জন করোনা রোগী। মৃত্যু নেই!

এর আগে গত বুধবার ইতালির নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছিল, মার্চ মাসের শুরু থেকে দেশে করোনার সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যু যে হারে বেড়েছিল, তা কমে গেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৬৯ জন মারা গেছে, যা আগের যে কোনো দিনের চেয়ে কম। সংক্রমণের নতুন সংখ্যা ১ হাজার ৯৬৫ জন।

এই পরিস্থিতিকে লকডাউন তুলে নিচ্ছে ইতালির সরকার। আগামী সোমবার থেকে শিথিল করা হবে বন্দিদশা। দেশবাসীর আশা পুরোনো ছন্দ ফিরবে ইতালিতে। ইতিমধ্যে কয়েকটি শহরে লকডাউন শিথিল করাও হয়েছে। শহুরে লোকদের বাইরে বেরুতে দেখা গেছে। তবে সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন। সাবধানে চলছেন।

বিভিন্ন শহরে খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, স্টেশনারি, বইয়ের দোকান, বাচ্চাদের কাপড়ের দোকান। কম্পিউটার ও কাগজপত্র তৈরির কাজ শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে, দেশে অর্থনীতির চাঁকা যেভাবে পাংচার হয়েছে, ফিরিয়ে আনতে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতালির মন্ত্রণালয়গুলোর সূত্রে জানা গেছে, ৪ মে থেকে লকডাউন শিথিল হলে বিভিন্ন অঞ্চলে সীমিত আকারে উৎপাদন শিল্প, নির্মাণ খাত ও পাইকারি দোকানগুলো চালু করে দেওয়া হবে।

অবশ্য, পুরোপুরি নির্মূল না করে কোরোনা পরিস্থিতির ভেতরেও লকডাউন শিথিলের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হয়েছে দেশটির বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা। এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলে নানা বিতর্ক চলছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!