স্ক্যামারদের থেকে সতর্ক থাকুন

স্ক্যামারদের এমন মেসেজে বিশ্বাস করবেন না।

বাংলাদেশে বলেন আর আমেরিকায় বা লন্ডনে সব দেশেই স্ক্যামিং হয়। এ থেকে বাঁচবার একমাত্র উপায় হল সচেতন হওয়া। জানা । বিশেষত ট্যাক্স রিটার্নের সময় স্ক্যামাররা একটু বেশি সচল হয়ে ওঠে। তাই ফোন করে আপনার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার, পাসওয়ার্ড বা এজাতীয় তথ্য জানতে চাইলে কোনো অবস্থাতেই তা বলা যাবে না।

যারা স্ক্যাম করে বা মানুষের আইডেন্টিটি চুরি করে তারা হল হ্যাকার। বিভিন্ন সময় তারা বিভিন্ন রকমের ছল করে আপনার একাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে নেবার চেষ্টা করবে। কিন্তু আপনি সচেতন হলে এটা কখনো সম্ভব হবে না।

উপরের ছবি লেখকের নিজের মোবাইলে আসা মেসেজের স্ক্রিনশট। ঘটনা এরকম, আমার নাম্বারে একটা নাম্বার থেকে একটি মেসেজ আসলো যাতে লেখা সে ভুলে আমার নাম্বারে ১২০ ডলার পাঠিয়ে দিয়েছে। যা সে তার বোনের জন্য পাঠিয়েছিল। আমি যেন তার টাকাটা তার বোনের মোবাইল নাম্বারে পাঠিয়ে দেই।

এর কিছু পরেই আমার নাম্বারের মতো একটা নাম্বার থেকে একটি কল আসলো। অপর প্রান্ত থেকে একজন মহিলা আমাকে একই ঘটনা বলল যে তার ভাই তার মোবাইলে টাকা পাঠাতে গিয়ে ভুলে আমার নাম্বারে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমি যেন তাকে তার টাকাটা পাঠিয়ে দেই। তার বাচ্চাকাচ্চা আছে। তখন একটা বাচ্চার কান্নাও শোনা যাচ্ছিল।

এমন অবস্থায় আপনি কী করতেন? আপনার কষ্টের রোজগার টাকাটা পাঠিয়ে দিতেন? না কখনোই তা করবেন না। স্ক্যামারদের কথায় কান দিবেন না।

এব্যাপারে পরামর্শের জন্য জানতে চাইলে ওয়েলস ফারগো ব্যাংকের ব্যাংকার এমডি ইসলাম সাহেব বলেন, স্ক্যামাররা বিভিন্নভাবে আমাদের ফোন নাম্বার এবং নাম পেয়ে যেতে পারে। কিন্তু আপনার ব্যাংকের কোনো তথ্য কোনো অবস্থায়ই পাওয়ার কথা নয়। একমাত্র আপনি যদি নিজে থেকে কাউকে না বলেন। এরকম পরিস্থিতিতে সবচেয়ে নিরাপদ হল আপনার ব্যাংকারের সাথে আলাপ করা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!