সেপ্টেম্বরের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন পাবে জনগণ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। প্রতিষেধক আবিষ্কারে দেশে দেশে চলছে গবেষণা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন জনসাধারণের জন্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সারা গিল্ডবার্ট।

শনিবার (১১ এপ্রিল) তার বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এ খরব প্রকাশিত হয়।

খবরে বলা হয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনোলজির অধ্যাপক সারা গিলবার্ট গবেষকদের একটি দলকে একটি ভ্যাকসিন তৈরিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা বিশ্বকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে রক্ষা করবে বলে দাবি করেছেন।

দ্য টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার দল ইতোমধ্যে একটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন যা দু’সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষা শুরু করবে।

তিনি বলেন, গবেষণা অনুযায়ী আমরা ৮০ ভাগ সাফল্যের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে এটুকু বলতে পারি, করোনার ভ্যাকসিন সফলভাবে তৈরি করতে পেরেছি আমরা।

অধ্যাপক গিলবার্ট বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করব। এক্ষেত্রে যেসব স্থানে সংক্রমণ বেশি এবং এখনও লক ডাউন ঘোষণা করা হয়নি আমরা সেখানে পরীক্ষা চালাতে চাইছি। তাহলে আমরা অনেক কম সময়ে ফলাফল পাব। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কম সময়ের মধ্যে এ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।

আমি সরকারকে বলব, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণের অপেক্ষায় বসে না থেকে উৎপাদন শুরু করা উচিত বলেও জানান তিনি।

এদিকে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার ভ্যাকসিন তৈরি ও বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে পৌঁছাতে ১৮ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে।

চীনা বিজ্ঞানীরাও করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফলভাবে সমাপ্ত করেছেন। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চালানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছেন দেশটির বিজ্ঞানীরা। প্রথম ট্রায়ালের মাত্র এক সপ্তাহ পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীদের খোঁজ শুরু হয়েছে বলে সরকারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!