সুস্থ থাকার ৭ উপায়

শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকবে না। সুস্থ থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই টের পাওয়া যায়। তাই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। আর তার জন্য বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিনের কাজগুলো করতে হবে একটু নিয়ম মেনে।

১. সকালে ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা উচিত। এতে করে সকালের আলো দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে এবং বাতাস মস্তিষ্ক ও চোখকে সতেজ রাখে।

২. সকালে মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করলে সহজে কোন পেটের রোগও হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম, হাটাহাটি ও জগিং এর অভ্যাস করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেহ থাকে সুস্থ।

৩. সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেহের সুস্থতার জন্য। সকালে ২/৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। খালি পেটে চা/কফি পান করবেন না একেবারেই। ভারী নাস্তার শেষে চা/কফি পান করুন।

৪. খাবার খাওয়ার মাঝে কখনোই পানি পান করবেন না। খাবার খাওয়ার পূর্বে পানি পান করে নিন। এতে খাবার কম খাবেন যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। খাওয়ার মাঝে পানি পান করলে পরিপাকক্রিয়াতে বাঁধা আসে এবং হজমে সমস্যা হয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।

৫. দুপুরে খাবার সময় ১ টা এবং রাতে খাবার সময় ৮ টার আগে হওয়া উচিত। কারণ দুপুরে দেরি করে খেলে আপনার খাওয়া বেশি হবে ফলে আপনার ওজন বাড়বে এবং বেশি রাতে খাবার খেলে খাবার ঠিকমত হজম হওয়ার সময় পাওয়া যায় না যা আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে দেবে। রাতে খাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।

৭. কড়া রোদ থেকে এসেই পানি পান করা উচিৎ নয়। এতে আমাদের দেহ হুট করে নিজের অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পারে না যার ফলে দেহের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং কড়া রোদ থেকে এসে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে পানি পান করা ভালো।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.