December 1, 2020

মাই পেটারসন. লাইফ

ভয়েস অফ দ্যা কমিউনিটি

সাবেক ৭০ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সমর্থন দিলো বাইডেনকে

আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । এতে রিপাবলিকানদের হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন সাবেক ডেমোক্র্যাট ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত চার বছরে অনেক রিপাবলিকানেরই সমর্থন হারিয়েছেন ট্রাম্প। এবার বেশ কয়েকজন জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাও জানালেন তারা ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেনকে যোগ্য মনে করছেন।
আসন্ন নির্বাচনে নিজ দলের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বেশ কয়েকজনের সমর্থন হারাতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) ও তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) এর সাবেক প্রধানসহ ৭০ জনেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনকে সমর্থন দিতে যাচ্ছেন। তারা মনে করেন, ট্রাম্প ‘দুর্নীতিবাজ ও প্রেসিডেন্ট হওয়ার ‘অযোগ্য’। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ফরমার রিপাবলিকান ন্যাশনাল সিকিউরিটি অফিসিয়ালস ফর বাইডেন’ নামে ৭৩ রিপাবলিকানের একটি দল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাইডেনকে সমর্থন জানাবেন। এদের মধ্যে রোনাল্ড রিগ্যান, জর্জ এইচ.ডব্লিউউ বুশ, জর্জ ডব্লিউ বুশ ও ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে কাজ করা কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়েছেন। এরা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মাইকেল হায়ডেন (সিআইএ প্রধান ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি), সিআইএ ও এফবিআই দুই সংস্থাতেই প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র মার্কিনি উইলিয়াম ওয়েবস্টার, ন্যামনাল ইন্টেলিজেন্স-এর প্রথম পরিচালক জন নেগ্রোপন্টে, ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের সাবেক পরিচালক মিশেল লিটারসহ অনেকে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে একটি পূর্ণাঙ্গ পৃষ্ঠার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাইডেনের প্রতি সমর্থন জানাবেন তারা।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বুঝতে পেরেছি যে ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের দেশকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেছেন। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়া উচিত।’

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিচ্ছিন্নতা, দেশের অভ্যন্তরে তার নেতৃত্বজনিত ব্যর্থতা, করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে তার বিতর্কিত ভূমিকা, অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেওয়া, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভ নিয়ে তার বিতর্কিত প্রতিক্রিয়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রতি ক্ষুব্ধ তারা।

error: Content is protected !!