সাকিবকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেয়া সেই আগারওয়াল নিষিদ্ধ

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে শাস্তি পেয়ে সাকিব আল হাসান ক্রিকেটের বাইরে আছেন ৬ মাস ধরে। যিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সেই দীপক আগারওয়ালও শাস্তির মুখে পড়লেন। ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।

বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগারওয়ালের শাস্তির কথা জানায় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। অভিযোগের পাহাড় জমে গিয়েছিল তার বিরুদ্ধে। এবার আর কোনা ছাড় দেয়নি আইসিসি।

২০১৮ সালে ভারতীয় টি-১০ লিগে সিন্ধি ফ্র্যাঞ্চাইজির একাংশের মালিক ছিলেন আগারওয়াল। বারবার আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আইন ভঙ্গ করায় তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হল।

আইসিসির তদন্ত বিলম্বিত করার অভিযোগ ছিল আগারওয়ালের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘অনেক উদাহরণ আছে যে মি. আগারওয়াল আমাদের তদন্তকে বাধা ও দেরি করাতে চেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে এটাই একমাত্র অভিযোগ নয়।’

আগারওয়ালকে নিষিদ্ধ করার পেছনে আইসিসি যেসব কারণ দেখিয়েছে তার মধ্যে সাকিব আল হাসানের ঘটনাটিও আছে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ জুয়াড়ির বিরুদ্ধে গোটা দশেক অভিযোগ রয়েছে।

সাকিবকেও দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি, যার মধ্যে একবছরের শাস্তি দোষ স্বীকার করায় স্থগিত থাকবে। প্রথম একবছরের নিষেধাজ্ঞা কাটানোর সময়ে নতুন করে কোনো আইন না ভাঙলে ১২ মাসের মাথায় তিনি ফিরতে পারবেন ক্রিকেট মাঠে। সে হিসেবে এ বছরের ২৯ অক্টোবর ব্যাট-বল হাতে নামতে পারবেন টাইগার অলরাউন্ডার।

সাকিবকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয় গত বছরের ২৯ অক্টোবর। ২৮ এপ্রিল ২০২০, পূর্ণ হয়েছে তার নিষেধাজ্ঞার ৬ মাস। সব ঠিক থাকলে আর ৬ মাস পরই নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হবেন তিনি। উঠে যাবে ‘নিষিদ্ধ’ ট্যাগলাইন।

অন্যদিকে, আইসিসির ২.৪.৭ ধারা অনুযায়ী দীপক শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। সংস্থাটির দুর্নীতি দমন শুনানিতে সমস্ত অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি। তাতে ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে দূরে থাকতে হবে তাকে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!