রোজায় সুস্থ থাকতে যা খাওয়া উচিত

রোজা থাকলে পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। এ সময় এত রকম গুরুপাক খাবার একসঙ্গে খেলে পেটের সমস্যা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অবসাদ, আলসার, অ্যাসিডিটি ও হজমের সমস্যা হতে পারে। আবার ওজনও বেড়ে যায়। তাই রমজানের খাবার চার্ট তৈরি করতে কিছু বিশেষ দিক খেয়াল রাখতে হবে। অনেকে ইফতারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন, ফলে খুব তাড়াতাড়ি মুটিয়ে যান। সংযমের মাস … প্রয়োজনীয় সকল খাদ্য উপাদান মিলিয়ে তৈরি করতে হবে এই ডায়েট প্ল্যান। সেহরি যেমন হতে পারে- সেহরিতে অতিরিক্ত তেল, লবন ও মশলাদার খাবার পরিহার করা উচিত।

তাই রোজায় সুস্থ থাকতে নিয়ম মেনে খাবার খেতে হবে।

কী খাবেন?

১. ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছের ডিম, খাসি, গরুর চর্বিযুক্ত মাংস, হাঁস-মুরগির চামড়া, হাড়ের মজ্জা, ঘি, মাখন, ডালডা, সয়াবিন, গলদা চিংড়ি, নারিকেল।

২. আঁশযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই খেতে পারেন সব রকমের ডাল, পুঁইশাক, খোসাসহ সবজি যেমন ঢেঁড়স, বরবটি, কচুরলতি, শিম।

৩. টকজাতীয় খোসাসহ পেয়ারা, জাম্বুরা, আমলকী খেতে পারেন।

৪. সব রকমের মাছ খেতে পারেন। বিশেষ করে সমুদ্রের মাছ, ছোট মাছ, মাছের তেল, উদ্ভিজ তেল, সানফ্লাওয়ার ওয়েল, সয়াবিন তেল ও দুধ।

যেসব খাবার কম খেতে হবে

১. শর্করাজাতীয় খাবার ভাত, রুটি, আলু ও মিষ্টি আলু।

২. মিষ্টি ফল যেমন– পাকা আম, টাটকা ফল ও পাকা পেঁপে।

৩. মিষ্টি খাবার ফিরনি, সেমাই।

যেসব খাবার একেবারেই খাওয়া উচিত নয়

বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুট, কেক, পুডিং, স্যান্ডউইচ, আইসক্রিম, বোতলজাত কোমল পানীয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.