যে উপায়ে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখবেন সারা বছর

দেহের সুস্থতার কারণে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা প্রয়োজন। মস্তিষ্ক আমাদের দেহের হৃদস্পন্দন, শ্বাস প্রশ্বাস, খাদ্য হজমকরণসহ সমস্ত ক্রিয়াকলাপ এবং বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সমৃদ্ধ খাবার যেমন প্রচুর শাকসবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি ফলমূল, প্রচুর মাছ, বাদাম, শিম বীজ, অলিভ তেল মস্তিষ্কের ব্রেন সেল উৎপাদনে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে এছাড়া অল্প পরিমাণ মাংস খাওয়া এবং সঙ্গে ব্যায়াম আমাদের মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। মস্তিষ্ক দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ রাখতে দরকার সঠিক খাদ্যাভাস।

জার্নাল আলঝাইমারস এবং ডিমেনশিয়া জার্নালে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, শাকসবজি, ফলমূল, জলপাইয়ের তেল এবং বাদাম সমৃদ্ধ খাবার পরবর্তী জীবনে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অসুস্থতার ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে হ্রাস করে।ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্য জ্ঞানীয় দুর্বলতার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে জ্ঞানীয় ক্রিয়া ধীরে ধীরে হ্রাস করে না।

প্রায় দশ বছর ধরে পরিচালিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যগ্রহণকারী মানুষেরা পর্যবেক্ষণের গবেষণাটিতে সর্বোচ্চ জ্ঞানীয় কাজ উপভোগ করেছেন। ওই গবেষণার নাম টেন ইয়ার উইনডো।

ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যতালিকায় ফল, শাকসব্জী, গোটা শস্য, ফলমূল, বাদাম, মাছ, জলপাই তেল মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। এসব খাবারের সর্বোচ্চ ফল পেতে লাল মাংস এবং অ্যালকোহলের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিত মাছ খেলে মস্তিষ্কের জ্ঞানীয় কার্যকারিতার হার বেড়ে যায়।

যদিও বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন যে ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্য মস্তিষ্ককে কীভাবে সহায়তা করে। ডায়েটটি কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য দেখানো হয়েছে, যার ফলে একে অপরকে ডিমেনশিয়া ঝুঁকি কমাতে পারে।

অন্যদিকে একটি সাধারণ পশ্চিমা দেশগুলোর ডায়েট, যেমন- লাল মাংস, চিনি, লবণ, চর্বি, পরিশোধিত শস্য) এগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।

মস্তিষ্ককে সচল রাখার কিছু সহজ উপায় বলে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, জোরে জোরে হাসা, দিনে ৩ কাপ কফি, মসলার রানি হলুদ খাওয়া, নেচে নেচে তরুণ থাকা, প্রতিদিনের নিয়ম ভেঙ্গে ফেললে মুস্তিষ্ক সুস্থ থাকবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!