যুক্তরাষ্ট্রে মৃত প্রথম রোগীর হার্ট ফেটে যায় করোনায়

করোনার কারণে বিশ্ব আজ বলতে গেলে অবরুদ্ধ। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১০,৬৪,৭৩৭ জন। মারা গেছে ৬১,৬৭০ জন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া প্রথম মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনায় যে প্রথম ব্যক্তির মৃত্যু হয় যুক্তরাষ্ট্রে তার হার্ট ফেটে গেছে ৷ মার্কিন ফরেন্সিক প্যাথোলজিস্ট দাবি করেছেন যে নারীর মৃত্যু হয়েছে তার হার্ট ফেটে যায় এবং পরে জানা যায় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৷

প্যাট্রেশিয়া নামের ৫৭ বছরের ওই নারীর বাড়িতেই মৃত্যু হয়৷ মনে করা হয় ফ্লুয়ের কারণে তার মৃত্যু হয় ৷ পরে করোনা টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ পাওয়া যায়৷

চিকিৎসকেরা জানান, করোনার জেরে তার হার্ট ফেটে যায়৷ গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওই নারীর মৃত্যু হয় ৷ কর্মকর্তারা জানান, মৃত্যুর আগে জানা যায়নি যে তিনি করোনায় আক্রান্ত ৷

এরপর গত ২৫ এপ্রিল নারীর দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়৷ তাতে জানা যায়, ভাইরাসের সঙ্গে লড়ার জন্য তার শরীর এত পরিশ্রম করে যে হার্টের একটি ভাল্ব ফেটে যায়৷ মাংসপেশিও আক্রান্ত হয়ে পড়ে যার জেরে হার্টের ভাল্ব ফেটে যায়৷ সাধারণত যাদের কোলেস্টরল লেভেল ঠিক নেই তাদের ক্ষেত্রে এরকম হয়ে থাকে৷

তবে এর মধ্যে করোনা চিকিৎসায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমসিডিসিভির (Remdesivir) কার্যকরি প্রভাব দেখা গেছে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সাফল্যও মিলেছে বলে কার্যত দাবি করছে হোয়াইট হাউস।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.