মোদিকে টুইটারে আনফলো করে দিলো ট্রাম্প প্রশাসন, ভারতজুড়ে হৈচৈ

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়তে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন মোদি। ট্রাম্পকে তার দেশ ভারত সফরও করিয়েছেন। কিন্তু গত তিন সপ্তাহ আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর অফিসকে টুইটারে ফলো করেছিল হোয়াইট হাউস।

হঠাত্‍ এই সবক’টি অ্যাকাউন্ট আনফলো করে দিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন। এ নিয়ে ভারতজুড়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। রীতিমত উত্তপ্ত অবস্থা বলা যায়।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল নাগাদ হোয়াইট হাউস তাদের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রধানমন্ত্রী অফিস ও দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে ফলো করা শুরু করে। মোদি ও রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ দু’জনেই একমাত্র রাষ্ট্রনেতা, যাদের হোয়াইট হাউস ফলো করেছিল টুইটারে।

শুধু মোদি বা রাষ্ট্রপতিই নন, পিএমও, ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় দূতাবাস, সবই ফলো করেছিল হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউস ফলো করছে, এমন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ১৯। এখন তা কমে দাঁড়াল ১৩।

মোদি ও ট্রাম্পের সম্পর্ক ভালো বলা হলেও সম্প্রতি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে তখন একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট রীতিমতো ভারতকে হুমকি দিয়েছিলেন, ভারত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন না পাঠালে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। পরে ভারত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের উপর রফতানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এরপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।

তবে কেন এমনটা করল তারা? এই প্রশ্ন এখন ভারতীয়দের। এদিকে ভারতে ধর্মীয় অসাম্প্রদায়িতা এখন চরমে। করোনার অজুহাতে চলছে মুসলিমদের ওপর দমন নিপীড়ন। মার্কিন সরকারের একটি প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে ভারতকে কালো তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!