মমতাকে উৎখাতের ডাক বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়র

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর তথ্য ঘিরে দেশটির কেন্দ্র-রাজ্য সরকারের মধ্যে চলছে বিরোধ। সেই বিরোধকে উসকে দিতে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারকে টুইটে ক্ষোব প্রকাশ করে প্রদেশ বিজেপি। সেই টুইটের প্রসঙ্গ টেনে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গণতান্ত্রিক ভাবে উৎখাতের ডাক দিলেন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

তিনি এদিন টুইটে লেখেন, বাংলার মানুষের হিতে যদি কাউকে গণতান্ত্রিক ভাবে উৎখাত করতে হয়, তিনি হলেন রজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হয়েও বাংলার মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন তিনি।

এদিকে, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব লব আগরওয়াল একদিনে সর্বাধিক সংক্রমণের দায় নাম না করে পশ্চিমবঙ্গের ওপর চাপিয়েছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের সামনে দাবি করেছিলেন, রোগের তথ্য জানানোয় কিছু রাজ্যের খামতি থেকে গিয়েছিল। সেগুলো সংশোধন করে নতুন তথ্যে হাতে আসতেই সার্বিকভাবে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। যদিও এই কিছু রাজ্য আদতে কোন কোন রাজ্য খোলসা করেননি স্বাস্থ্য সচিব।
১৭ মে কি শেষ হচ্ছে লকডাউন, তারপর কী ভাবনাচিন্তা সরকারের? প্রশ্ন সনিয়ার

কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের মত, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের তিরে পশ্চিমবঙ্গই। সোমবারই বাংলা পরিদর্শনে আসা কেন্দ্রীয় দলের তরফে কড়া ভাষায় চিঠি পাঠানো হয়েছিল মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে।

সেই চিঠিতে উল্লেখ কড়া হয়েছিল, দেশের মধ্যে সংক্রমণে মৃত্যুর হার বাংলায় সর্বাধিক (১২.৮%)। এরপরেই সরকারের বিরোধিতায় কোমর বাঁধে বিজেপি। মঙ্গলবার টুইটে গেরুয়া শিবির লিখেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের হাতে কোভিড সংক্রান্ত তথ্য ছিল। কিন্তু জনগণের থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তা লুকনো হয়েছে। কিন্তু বেশিদিন তথ্য গোপন করে রাখা যায় না। তাই এখন সেই তথ্যের প্রকৃত উৎস সামনে আনুন। কত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, চিকিৎসকদের সংক্রমণের কারণে মৃত্যু শব্দটি ব্যভারে অনুমতি দেওয়া হোক। মৃতের কারণ পর্যালোচনায় অডিট কমিটির ভূমিকা খর্ব করা হোক। এনডিটিভি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!