ভারত-চীন আলোচনায় ভয়ঙ্কর সুখোই-৩০

উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারত-চীনের সম্পর্ক। লাদাখ সীমান্তে গলওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সতর্ক অবস্থানে আছে দুই দেশের সেনারা। 

এমন পরিস্থিতিতে আলোচনায় এসেছে ভারতের হাতে থাকা সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান। পৃথিবীর সেরা যুদ্ধবিমানগুলোর অন্যতম সুখোই-৩০। সুখোইয়ের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে এতে। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৯০ সালে তৈরি এই বিমান অনেক আধুনিকীকরণের পর কাজ শুরু করেছে ১৯৯৬ সালে। এফ-১৬ বা সুখোই-২৪-এর চেয়ে সুখোই-৩০ অনেক আধুনিক মডেল। ভারত রাশিয়া থেকে সুখোই-৩০ কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করার পর একগুচ্ছ নতুন এবং বিধ্বংসী বৈশিষ্ট্য যোগ করে সুখোই-৩০-এর সবচেয়ে আধুনিক সংস্করণটিই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা ডাবল ইঞ্জিন মাল্টি-রোল ফাইটার জেট সুখোই-৩০ এমকেআই ভারতীয় বিমান বাহিনীর অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিশ্বের সেরা যুদ্ধবিমানগুলোর অন্যতম এই ফাইটার। সুখোই এখন আরও অপ্রতিরোধ্য। ২০১৯ এর জুনেই শক্তিশা’লী ক্রুজ মিসাইল ব্রাহ্মোস নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে উড়েছে সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান। তাতে বিরাট সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। ভারত-রুশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের বেগের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি জোরে ছোটে। লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!