ভারতের ভূখণ্ড অর্ন্তভুক্ত করে নেপালের নতুন মানচিত্র

ভারতের তিনটি বিতর্কিত এলাকা অর্ন্তভুক্ত করে নেপালের সংসদের উচ্চ কক্ষে নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মানচিত্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। 

১৮ জুন, বৃহস্পতিবার নেপালের সংসদের উচ্চ কক্ষে নতুন এক মনচিত্র অনুমোদিত হয়েছে। এই মানচিত্রে, ভারতের লিমপিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখ এলাকাকে স্থান দেয়া হয়। তবে ভারত এ নতুন মানচিত্রকে প্রত্যাখ্যান করে বলছে, এটি ঐতিহাসিক প্রমাণের ওপর তৈরি করা হয়নি।

এর আগে গত শনিবার সংসদের নিম্নকক্ষে বিপুল ভোটে নতুন মানচিত্রসংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব পাস হয়। আলজাজিরার সংবাদ প্রতিবেদন সূত্রে জা্না যায়,  সংশোধিত মানচিত্রটি পুরাতন মানচিত্রে প্রতিস্থাপিত করা হবে বলে দেশটি জানিয়েছে। এতে উচ্চ কক্ষের ৫৯ সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ৫৭ জনের ভোট সংবিধান সংশোধনী বিলের পক্ষে দেয়া হয়েছে। 

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিপুলেখ, কালাপানি ও লিমপিয়াধুরা এই তিনটি অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করছে নেপাল। বিষয়টিকে নেপালের ‘একচেটিয়া’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু এতো সত্ত্বেও নেপাল পিছু হটেনি।

এর আগে নেপাল সংসদের নিম্নকক্ষে গত শনিবার সংবিধান সংশোধন বিলটি পাস হয়। দুই–তৃতীয়াংশের সমর্থনে পাস হওয়া বিলটি পরে উচ্চকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আসে। এখন বিলটি নেপালের রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায়। উল্ল্যখ্য, উত্তরাখন্ড থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার লম্বা সড়ক তৈরি করছে ভারত। এ পথ তৈরি নিয়ে ক্ষুব্ধ নেপাল। ওই সড়ক দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত বলে আগেই সমালোচনা করেছিল কাঠমান্ডু।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালির দাবি, নেপালের জমিতে সড়ক তৈরি করে ভারত দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ন করছে। ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের রাজার মধ্যে সই হয় সুগাউলি চুক্তি। সেখানে বলা আছে, মহাকালী নদীর পূর্বের অংশ নেপালের। ১৯৮৮ সালের বৈঠকেও ভারত স্থায়ী সীমান্ত মেনে চলতে রাজি হয়েছিল।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!