‘বিশ্বে ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তুচ্যুত হবে ১০০ কোটি মানুষ’

খাদ্য ও পানির অভাব, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে। বিশ্বের পরিবেশগত হুমকির বিষয়ে এক নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ ও শান্তিসূচক নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ইনিস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি)। ‘ইকোলোজিক্যাল থ্রেট রেজিস্টার’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য সূত্রের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে আটটি পরিবেশগত হুমকি চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোন দেশ ও অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে তা দেখানো হয়েছে।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় এক হাজার কোটিতে গিয়ে ঠেকবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সম্পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি বাড়বে এবং এটি সহিংসতাকে উস্কে দেবে। এগুলো সাব-সাহারা, মধ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এই ঝুঁকির মুখে থাকা প্রায় ১২০ কোটি মানুষকে ২০৫০ সালের মধ্যে অভিবাসী হতে বাধ্য করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ বছর আগে বিশ্বে সুপেয় পানির পরিমাণ যতটুকু ছিল ২০৫০ সালে তার ৬০ শতাংশ কমে যাবে। আগামী ৩০ বছরের মধ্যে খাদ্যের চাহিদা বাড়বে ৫০ শতাংশ। ভারত ও চীনের মতো কয়েকটি দেশ সবচেয়ে বেশি পানি সংকটের হুমকির মুখে রয়েছে।

আইইপির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ কিলেলা বলেন, ‘পরিবেশগত হুমকি বৈশ্বিক শান্তির জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ। আগামী ৩০ বছরের মধ্যে জরুরি বৈশ্বিক সহযোগিতার অভাবে খাদ্য ও পানি প্রাপ্তির সুবিধা হ্রাস পাবে। পদক্ষেপের অভাবে গণঅসন্তোষ, দাঙ্গা ও সংঘাত সবচেয়ে বেশি বাড়বে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!