বিশ্বের দ্রুততম বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরির কাজ ‘প্রায় শেষ’

যুক্তরাজ্যের বিলাসবহুল গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস বিশ্বের দ্রুততম ও শক্তিশালী বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজের পরীক্ষা প্রায় শেষ করে ফেলেছেন। উড়োজাহাজটির প্রযুক্তি পরীক্ষার কাজও প্রায় শেষ। ‘আয়রন বার্ড’ নামের এই উড়োজাহাজটি ৫০০ বৈদ্যুতিক পাওয়ার ট্রেন যা বিশ্বের দ্রুততম গতির রেকর্ড তৈরি করতে সক্ষম হবে।

প্রতি ঘণ্টা ৩০০ মাইল (প্রতি ঘণ্টা ৪৮০ কিলোমিটার) গতিতে চলতে পারবে উড়োজাহাজটি। বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক এ উড়োজাহাজটির রিচার্জ করার জন্য প্লাগ-ইনের প্রয়োজন হবে না।

এই প্রকল্প ত্বরান্বিত বৈদ্যুতিকরণ উড়োজাহাজের (এসিসিল) অংশ। এগিয়ে থাকার জন্য এটি কোম্পানির নতুন কৌশল বলে জানিয়েছে রোলস রয়েস।

এসিসিএল প্রকল্পের উড়োজাহাজটিতে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক পাওয়ার-ঘন ব্যাটারি প্যাক থাকবে যা ২৫০ টি বাড়ির জ্বালানী সরবরাহ করতে বা একক চার্জে ২০০ মাইল উড়তে যথেষ্ট শক্তি সরবরাহ করে।

রোলস রয়েসের ইলেকট্রিক্যাল ডিরেক্টর রব ওয়াটসন বলেছেন: ‘বিশ্বের দ্রুততম বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরির যে বিপ্লব, এটাকে তার প্রথম ধাপ বলা যেতে পারে।’

কেবল বিশ্ব রেকর্ডের জন্য এই উড়োজাহাজটি প্রস্তুত করা হচ্ছে না। এটি রোলস রয়েসের দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করবে।

রোলস রয়েসের রেইথ সিরিজের সর্বশেষ গাড়িগুলোর দাম প্রায় সোয়া তিন লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় আড়াই কোটি টাকার বেশি।

১৯০৬ সালের ১৫ মার্চ চার্লস স্টুয়ার্ট রোলস এবং স্যার ফ্রেডরিখ হেনরী রয়েস যৌথভাবে রোলস রয়েস কোম্পানীটি প্রতিষ্ঠা করেন। গাড়ি তৈরির পাশাপাশি বিমানের ইঞ্জিন তৈরির কাজেও জড়িয়ে পড়ে কোম্পানীটি।

এক সময় বৃটেনের রাজা রানীরা ব্যবহার করতেন রোলস রয়েস। তখন এসব গাড়ির দাম ছিল আকাশচুম্বী। বছরে মাত্র ৫০০টি গাড়ি তৈরি হতো।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!