বাবাকে ফেরত পেতে এবং ভালোবাসার অধিকার চেয়ে ২ বছরের শিশু আদালতে

এবার বাবার ভালোবাসার অধিকার চেয়ে আদালতে ২ বছরের শিশু। আইনজীবীর সহকারী বাবা নিজেই আইন না মেনে করেছেন দ্বিতীয় বিয়ে। একমাত্র সন্তানের ভরণপোষণ চাইলে প্রথম স্ত্রীকে করেন নির্যাতন। প্রতিকার চেয়ে মামলা করলে স্ত্রী ও সন্তানের ক্ষতি করার হুমকিও দিচ্ছেন বাবা।
অবুঝ চোখে বাবার স্নেহের আকুতি। মাহিম আর তার মাকে ছেড়ে চলে গেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীর সহকারী ক্লার্ক রায়হানুর ইসলাম। বাবাকে ফেরত পেতে মায়ের সাথে সোমবার (১৭ আগস্ট) আদালতে ২ বছরের সন্তান।

শিশুটির মা মুক্তা জানান, ভালোবেসে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বছর কয়েকের মধ্যেই পাল্টে যায় ভালোবাসার মানুষটি। জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়। প্রসূতি স্ত্রীর অনুমতি না নিয়েই করেন দ্বিতীয় বিয়ে।

মুক্তা বলেন, বাচ্চাটা পেটে থাকা অবস্থায় কত রকমের ওষুধ লাগে। এটা বলার পরেই আমাকে রেখে চলে গেছে।

সন্তানের ভরণপোষণের জন্য বার বার স্বামীর সহযোগিতা চেয়েছেন। উপায় না দেখে শিশু সন্তানকে নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। কিন্তু মামলার পর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে রায়হান। মামলা তুলে নিতে হুমকিধামকি দিতে শুরু করে।

আইনজীবী সিতারা সালাম বলেন, ৭ দিনের জামিন নেয় আপসের কথা বলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো আইনজীবী আপস করার চেষ্টা করেননি।

অভিযুক্তের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তিনি যে আইনজীবীর চেম্বারে কাজ করে তিনি সময় সংবাদকে জানান, স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণের জন্য নিজেও রায়হানকে বেশ কয়েকবার অনুরোধ করেছেন।

আইনজীবী আমজাদ হোসেন বলেন, দ্বিতীয় বিয়ে করতে গেলে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিতে হয়। সে তা নেয়নি। সে অবশ্যই অপরাধী।আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন ভুক্তভোগী মুক্তা। এমন আশাবাদও জানান তিনি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!