বর্ণবাদ: পতাকা থেকে কনফেডারেট প্রতীক সরাচ্ছে মিসিসিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

এবার বর্ণবাদের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ‘কনফেডারেট প্রতীক’  জাতীয় পতাকা থেকে সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে  যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্য। মিসিসিপিই সর্বশেষ মার্কিন রাজ্য যারা পতাকায় কনফেডারেট প্রতীক ব্যবহার করে। 

শনিবার রিপাবলিবান অধ্যুষিত রাজ্য কংগ্রেসের দুটি চেম্বারই পতাকা পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়া শুরুর পক্ষে ভোট দেয়। বিবিসি জানায়, মিসিসিপিই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ রাজ্য যারা পতাকায় কনফেডারেট প্রতীক ব্যবহার করে। এ প্রতীক অনেকের কাছেই বর্ণবাদের প্রতীক।

শ্বেতাঙ্গরা এ পতাকাকে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক মনে করে। আর কৃষ্ণাঙ্গদের কাছে এ পতাকা দাস প্রথার সময়কার শ্বেতাঙ্গদের নিপীড়নেরই স্মৃতিবাহক।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নিপীড়নে কৃষ্নাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকে ঘিরে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে কনফেডারেট পতাকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক  আবার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।

এই পতাকা মূলত ব্যবহৃত হত দাস-নির্ভর রাজ্যগুলোতে (১৮৬০ থেকে ৬৫ সালে) গৃহযুদ্ধর সময়ে। সে যুদ্ধে কনফেডারেটরা পরাজিত হয়। দক্ষিণের রাজ্যগুলো এই কনফেডারেট পতাকা ব্যবহার করে এসেছে।

মিসিসিপির রাজ্য প্রতিনিধি পরিষদে এই পতাকার কনফেডারেট প্রতীক অপসারণের বিল আনার পদক্ষেপ ৮৪-৩৫ ভোটে এবং সিনেটে ৩৬-১৪ ভোটে পাস হয়েছে।

মিসিসিপির গভর্নর বলেছেন যে এই বিল আইনসভা সাফ হলে তিনি আইনটিতে স্বাক্ষর করবেন।

আমরা গতকালের চেয়ে আজকের চেয়ে ভাল, বিলটির রচয়িতা হাউসটির মিসিসিপি স্পিকার ফিলিপ গন বলেছেন, অলাভজনক সংবাদ গোষ্ঠী মিসিসিপি টুডেকে বলেছিলেন। আজ, ভবিষ্যতে বর্তমানের শিকড় রয়েছে। আজ, আমরা এবং জাতির বাকী সবাই গৌরব ও আশা নিয়ে আমাদের রাজ্যটিকে নতুন চোখে দেখতে পাবে।

এখন রোববারের অধিবেশনেই এ সংক্রান্ত বিল আনা হতে পারে। বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে একটি কমিশন নতুন পতাকা তৈরির কাজ শুরু করবে। এরপর সেই নতুন পতাকার নকশা অনুমোদনের জন্য নভেম্বরে হবে আরেকটি ভোট। 

প্রতীক অপসারণের বিলটি সপ্তাহ শেষে নিম্ন এবং উচ্চতর উভয় কক্ষেই পাস করতে বিধায়করা একটি নতুন পতাকা ডিজাইনের জন্য একটি প্যানেলকে সমর্থন জানিয়েছিল।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!