পায়ের তলায় জ্বালা-যন্ত্রণা! করোনার নতুন উপসর্গ নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা

গোটা বিশ্বে এখন আতঙ্কের একটাই নাম নোভেল করোনা ভাইরাস। একেবারে নতুন এই ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ হিসাবে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টকেই চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও উপসর্গহীন রোগীরাও ভাবনার বড় কারণ।

জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট এই চার ধরনের উপসর্গ দেখলে সন্দেহ জাগছে মনে। তবে কি করোনা ভাইরাস বাসা বাঁধল শরীরে, এই প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাওয়া অসম্ভব কিছুই নয়। কিন্তু চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় উঠে এসেছে এক নয়া তথ্য। পায়ের পাতার তলাতেও অনেক সময় দেখা দিতে পারে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ। “কোভিড টোস” বলে যার নামও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ধরনের উপসর্গ মূলত শিশু এবং তরুণ-তরুণীদেরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে বেশি।

ইউরোপ এবং আমেরিকার একদল বিশেষজ্ঞদের দাবি, গত মার্চে তাঁদের কাছে বেশ কয়েকজন শিশুকে নিয়ে আসেন বাবা-মায়েরা। তাদের প্রত্যেকেরই পায়ের পাতায়, তলায় এবং আঙুলে ব্যথা শুরু হয়। সঙ্গে জ্বালা ভাব। ঠিক যেন ঠান্ডায় ফেটে যাওয়ার মতো লাল হয়ে যাচ্ছে সেই সব অংশের ত্বক। নতুন ধরনের এই শারীরিক সমস্যাকে করোনার উপসর্গ হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন উপসর্গকে “কোভিড টোস” হিসাবে নাম দিয়েছেন তাঁরা। ইটালিতেও বেশ কয়েকজন শিশুর মধ্যেও এই ধরনের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। যাদের শরীরে করোনার চেনা উপসর্গ ছিল না। কিন্তু পরীক্ষায় মিলেছে ভাইরাসের হদিশ।

যদিও একদল বিশেষজ্ঞের দাবি, সেই উপসর্গহীন রোগীরা নিজেরাও বুঝতে পারেন না তাঁদের স্বাদ এবং গন্ধ বোঝার ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। তাঁদের চোখ লালচে হতে থাকে। তাঁরা বুঝতে পারেন না বলে ব্যবস্থা নেওয়াও সম্ভব হয় না। অথচ উপসর্গহীন রোগীর সংস্পর্শে আসা প্রায় প্রত্যেকেরই আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে যথেষ্ট। অথচ উপসর্গহীন করোনা রোগীদের চিহ্নিত করা যথেষ্ট কঠিন। তার উপর আবার “কোভিড টোস” ভাবনা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!