ধর্ষণ মামলা :মামুন বহিষ্কার , সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন

ধর্ষণের অভিযোগে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে সংগঠন থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় করা ধর্ষণের সত্যতা যাচাই, সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লালবাগ থানা মোট ৬ জনকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এর মধ্যে ধর্ষণে সহযোগিতাকারী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি নুরুল হক নুরের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ছাত্র অধিকার পরিষদ ছাত্র তথা গণমানুষের যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে এবং সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনজনকে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিতে থাকা তিনজন হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান এবং রাফিয়া সুলতানা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তদন্ত কমিটিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপারিশসহ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিকট প্রেরণ করার নির্দেশ দেয়া হলো। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমরা আমাদের সংগঠনের স্বার্থে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার হিসেব হবে।’

এছাড়া, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক মশিউর রহমান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!