ডাঃ ফেরদৌস কি আসলে বাংলাদেশী?

কোভিড -১৯, করোনা ভাইরাসে মহামারী দুর্যোগের সময় নিউইয়র্কে বাংগালাদেশী কমিউনিটির পাশে দাঁড়িয়ে দেবদূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন যে  ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার তিনি নাকি বাংলাদেশী নন।

তাহলে তার পরিচয় কি? আমেরিকায় আসার পূর্বে তিনি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন ? এক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে তিনি নাকি পাকিস্তানি, তাই তাঁকে বাংলাদেশ থেকে ফেরত আসতে হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে এখন তার ভক্তসহ নানাজনের মনে নানা প্রশ্ন দানা বেঁধেছে।

সূত্রে প্রকাশিত, বাংলাদেশী-আমেরিকান নাগরিকদের পাসপোটে ‘‌নো ভিসা রিকয়ার্ড ফর ট্রাভেল টু বাংলাদেশ’ লেখা থাকার কারণে তাদের বাংলাদেশের জন্য আলাদা করে ভিসা নিতে হয় না। কিন্তু ২৩ জুন বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে ফেরদৌস জানিয়েছেন তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে তিনি আবার বাংলাদেশ ফিরবেন এবং তার সঙ্গে আসা চিকিৎসক দলটি বাংলাদেশে করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত হবেন।

কূটনৈতিক সূত্র আরো জানায় ডা. ফেরদৌস খন্দকারের আমেরিকান পাসপোর্টে ‘প্লেইস অব বার্থ’ এর স্থানে পাকিস্তান লেখা রয়েছে। তাহলে তিনি কী আমেরিকায় পাকিস্তানি পাসপোর্টে ঢুকেছিলেন, যার ফলে লিগালাইজেশনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ডিপাটমেন্টকে পাকিস্তানের বার্থ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়েছে।

তাছাড়া, আমেরিকায় নাগরিকত্ব নেওয়ার আগে তিনি যদি বাংলাদেশি হতেন, তাহলে তার পাসপোর্টেও ‌’নো ভিসা রিকয়ার্ড’ সিল থাকতো। প্রশ্ন উঠেছে যে মাতৃভূমির সেবা করার জন্য তিনি বাংলাদেশে ছুটে গেলেন। কিন্তু  বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে তার পাসপোর্টে জন্মস্থান পাকিস্তান লেখা কেনো?

ক্থা হচ্ছে, ১৯৭১ সালের পূর্বে যাদের জন্ম হয়েছে তারাতো স্বাধীন বাংলাদেশ থেকেই বার্থ সার্টিফিকেট নিয়েছেন। কেউ তো নিজেদের পাকিস্তানি নাগরিক বলেন না। অসংখ্য বাংলাদেশী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকলেও ১৯৭১ সালের পূর্বে জন্ম হওয়া বাংলাদেশীদের কারো পাসপোর্টে পাকিস্তান লেখা রয়েছে এইরকম তথ্য জানা নেই বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানালেন । এই বিষয়টিতে আসলেই কি কোন রহস্য লুকিয়ে আছে?

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!