কানাডা-মার্কিন সীমান্তে অবৈধভাবে প্রবেশ করছেন আশ্রয় প্রার্থীরা

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্ডার বন্ধ থাকায় অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। কানাডার ইমিগ্রেশন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব বিভাগের তথ্যমতে, মে মাসে কানাডায় আশ্রয়ের জন্য এক হাজার ৩৯০ জন আবেদন করেছিলেন এবং এপ্রিলে এক হাজার ৫৭০ জন আবেদন করেছেন।

এদিকে কানাডায় করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক এখনো ছড়িয়ে রয়েছে পুরো কানাডাবাসীদের মধ্যে এর মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও রয়েছেন। করোনাভাইরাসের আতঙ্কের পর দুশ্চিন্তায় জীবন পার করছেন কানাডা বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীরা। এদের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও রয়েছেন। দেশটিতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অভিবাসীদের রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার আবেদন। তবে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আবেদন বাতিলের সংখ্যা। এ অবস্থায় স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দিতে, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন অবৈধ অভিবাসীরা।

করোনা সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে কানাডাতে দেওয়া লকডাউন শিথিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশিরা তাদের ব্যবসা বাণিজ্যের কার্যকর্ম শুরু করেছে। তবে স্কুল কলেজ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। অভিবাসীদের দাবি, তাদের কানাডায় বসবাসের অনুমতি দেওয়া হোক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর অফিসে অভিবাসী অ্যাসোসিয়েশন থেকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

কানাডায় সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ দুই হাজার ৬২২ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন আট হাজার পাঁচশ চারজন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬৫ হাজার ৪২৫ জন।

কানাডার ক্যালগেরির টম বেকার ক্যানসার সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর এবং আর এক্স মিমস বাংলাদেশের পরিচালক আহমেদ শাহীন জানান, “স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করতে হচ্ছে। পুরো বিশ্ববাসী অপেক্ষা করছি কখন এর থেকে পরিত্রাণ পাবো। আশা নিয়েই বেঁচে আছি।”

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!