করোনাভাইরাস; কমে যাচ্ছে পত্রিকার কাটতি

করোনাভাইরাস আতঙ্কে বাংলাদেশে কমছে পত্রিকার বিক্রি। পাঠকের হাতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে পত্রিকা যেহেতু ঘুরে আসে অনেক হাত, তাই পত্রিকার সাথে সাথে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়বার আশঙ্কায় এমনটা হচ্ছে। সূত্র-ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, বিবিসি বাংলা।

এমন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় প্রকাশকরা। পত্রিকা কোনো জীবাণু বহন করে না জানিয়ে সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন ছাপিয়েও তেমন একটা কাজ হচ্ছে না। এ হচ্ছে ঢাকার অবস্থা। ঢাকার বাহিরে চট্টগ্রামে ও পিরোজপুরে এজেন্ট এবং হকাররা নিজে থেকেই বন্ধ করে দিয়েছেন ডেলিভারি।

করোনাভাইরাস থেকে বাঁঁচতে সবাই যখন কোয়ারেন্টিনে তখন বাহিরের কাউকেই ঘরে ঢুকতে দিচ্ছেন না বাসায়। দুধওয়ালা, কাজের বুয়া সবাইকে যেখানে ছুটি দিয়ে দিয়েছেন সেখানে সংবাদপত্রের সাথে করোনাভাইরাস ঝুঁকি বাসায় ঢোকার সুযোগ দিতে চান না পাঠক।

অনেক পাঠক ফোন করে তাদের পত্রিকা বন্ধ করতে অনুরোধ করেছেন। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন হকাররা৷ সংবাদপত্র হকারদের সংগঠন সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি সূত্রে জানা যায় শুধু ঢাকায়ই আছেন ত্রিশ থেকে পয়ত্রিশ হাজার হকার। পাঠকের এমন আচরণে বেকার হকাররা।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক, বীমা, সব অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকায় সংবাদপত্র সার্কুলেশন কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।

সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা নোয়াব হকারদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও গ্লাভস বিলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও সংবাদপত্র ভাইরাস বহন করে না জানিয়ে আলাদাভাবে লেখা ছাপছে পত্রিকার পিছনে।

এমন পরিস্থিতিতে পাঠকরা নির্ভর করছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপর। কিন্তু নির্ভরযোগ্য সংবাদের জন্য সংবাদপত্রের বিকল্প কখনোই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হতে পারে না বলে মনে করে দ্য নিউজপেপার্স ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।