করোনা:প্রকাশ্যে থুতু ফেলায় গ্রেপ্তার ৩৬

যত্রতত্র হাঁচি-কাশি থুথু, কফের মাধ্যমে করোনাভাইরাসসহ সার্চ, মার্স, যক্ষা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি বা অ্যাজমা, কাশি, মাথাব্যথাসহ বহু রোগের বিস্তার ঘটায়। ফলে যত্রতত্র থুথু ফেলানো প্রতিরোধে রয়েছে আইন। যা অমান্য করলে রয়েছে শাস্তির ব্যবস্থা। কিন্তু আইনটি কাগজে কলমে। বাস্তবে এ আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে। এবার কলকাতায় প্রকাশ্যে থুতু ফেলার দায়ে বৃহস্পতিবার ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত তিনদিনে থুতু ফেলার জন্য মোট ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে প্রকাশ্যে থুতু ফেলা নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। আর বিধি মানতে বাধ্য করা হচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা আইনের ৫১ বি ধারা অনুযায়ী।

ভারতে বহু মানুষ পান, গুটখা বা তামাক চিবিয়ে খান আর যেখানে সেখানে থুতু ফেলেন। থুতু থেকেই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা সবথেকে বেশি। তাই থুতু ফেলা সম্পূর্ণভাবেই নিষিদ্ধ করে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

ওই একই নিয়মে রাস্তায় বেরলেই মাস্ক পরাও আবশ্যিক করা হয়েছে। কলকাতায় গত তিনদিনে মুখোশ না পরে রাস্তায় বেরনোর জন্য গ্রেপ্তার হয়েছেন ৫১৩ জন।

এছাড়াও বিনাকারণে লকডাউনের মধ্যে রাস্তায় ঘোরা বা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরনোর জন্য শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে গাড়ি।

পুলিশের সূত্রগুলি বলছে গোড়ার দিকে ভারতীয় দন্ডবিধির কয়েকটি ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হচ্ছিল স্বাস্থ্যবিধি না মানার দায়ে। কিন্তু এখন দুর্যোগ মোকাবিলা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে – যা দন্ডবিধির থেকেও কঠিনতর।

আগে ধরা পড়লে সেখানেই জামিন পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু এখন থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ধৃতদের। সেখান থেকেই জামিন নিতে হচ্ছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!