কম্বোডিয়ায় চীনা প্রবাসীদের মধ্যে করোনার সংক্রমণ,আংশিক লকডাউন

অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কম্বোডিয়ায় চীনা প্রবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে । দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুন সেন শনিবার জানিয়েছেন, এটি দেশটির করোনার সফল নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা।

কম্বোডিয়া সফলভাবে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করেছে। দেশটির রাজধানী নম পেনের মানুষজন স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে গেছেন। তবে বিদেশে ভ্রমণের জন্য চীনের নাগরিকরা করোনা টেস্ট করালে শনিবার তাদের রিপোর্ট পজিটিভি আসে। এতে চীনা কমিউনিটির মধ্যে ব্যাপকহারে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন দেশটির সংশ্লিষ্টরা। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের

রাষ্ট্র পরিচালিত টিভিতে বক্তৃতায় শনিবার হুন সেন বলেন, ৩২ জন চীনা নাগরিকের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিপদজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

কম্বোডিয়াজুড়ে চীনা ব্যবসায়ীদের ব্যাপক উপস্থিতি সেখানকার নাগরিকদের মধ্যে চীনাবিরোধী মনোভাব আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মহামারির শুরুর দিক থেকেই অনেক দেশই চীনের সঙ্গে তাদের সীমানা বন্ধ করে দেয়। তবে হুন সেন চীনের সঙ্গে যাতায়াত বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি সংহতি প্রদর্শনের জন্য গত ফেব্রুয়ারিতে চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সাক্ষাৎ করতে বেইজিংও গিয়েছিলেন তিনি।

হুন সেন সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবের কারণে চীনা নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি নাগরিকদের মাস্ক পরতে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাইটক্লাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। এখন ক্লাবটি বন্ধ করা হয়েছে। অন্য কেউ আক্রান্ত আছেন কিনা তা খুঁজে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

দেশটির রাজধানী নম পেনে স্কুলসহ সবকিছু খোলা রয়েছে। তবে কোহ পিচ বা ‘ডায়মন্ড দ্বীপ’ নামে পরিচিত শহরের সঙ্গে সংযুক্ত একটি ছোট দ্বীপে আংশিক লকডাউন চলছে। পুলিশ শনিবার সকালে দ্বীপটিতে প্রবেশের সমস্ত রাস্তা প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।

কম্বোডিয়ায় এখন পর্যন্ত ৫০০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত নভেম্বরে সর্বশেষ একজন স্থানীয় আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল। দেশটিতে করোনায় এখনও কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!