অবশেষে অবরুদ্ধ গাজায় পৌঁছাল করোনার ভ্যাকসিন

অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণহারে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও, ইসরাইলি সরকারের অসহযোগিতা আর টিকা স্বল্পতার কারণে ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদারে ব্যর্থ ফিলিস্তিনি প্রশাসন। জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইসরাইলি প্রশাসন ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য মাত্র দুই হাজার ডোজ টিকা সরবরাহ করলেও, চাহিদর তুলনায় তা নিতান্তই অপ্রতুল।

তবে, এবার ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত বিরোধী নেতা মোহাম্মদ দাহলানের উদ্যোগে আরব আমিরাত সরকারের উপহার হিসেবে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এসেছে ২০ হাজার ডোজ টিকা। রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) মিশর সীমান্ত হয়ে রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ফাইভ ভ্যাকসিনের প্রথম চালান প্রবেশ করে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায়। এতে করে ফিলিস্তিনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা বিরোধী জোটের।

এক বিরোধীদলীয় নেতা জানান, ‘আমরা এগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবো। আশা করছি প্রথম দিকে বয়স্ক এবং জটিলরোগধারীদের টিকাদানের মধ্য দিয়ে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।’

এর মধ্যেই, অস্ট্রেলিয়ায় দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকাদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে করোনার ভ্যাকসিন কার্যক্রম। একইদিন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ফাইজারের টিকা নেয়ার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ফাইজার ছাড়াও, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকাও আগামী সপ্তাহ থেকে একযোগে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে, আগামী দিনগুলোতে এ দুটির টিকার ফর্মুলা ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়াতেই ভ্যাকসিন উৎপাদনের আশা করছে কর্তৃপক্ষ। আগামী অক্টোবর নাগাদ দেশটির ২ কোটি ৬০ লাখ জনগণকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সম্ভভ হবে বলেও মনে করছে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে, চীনের রাজধানী বেইজিংসহ কয়েক শহরেও নতুন করে করোনার ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!